একটা মুহূর্তের জন্য মনটা যেন খুশিতে আচ্ছন্ন হয়ে যায়। মনে হয় যেন যেন তুমি আছ চারপাশে। খুশির জোয়ারে ভাসতে থাকি। মাঝগঙ্গার নৌকায় বসে ভাঙ্গা চাঁদের দিকে তাকিয়ে তোমার স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকি। কি জানি একটা ভালবাসার ঠাণ্ডা বাতাস মনটাকে ছুঁয়ে যায়। যেন ভালবাসাই সবকিছু এই পৃথিবীতে। প্রত্যেকটা প্রশ্বাসে যেন ভালবাসার অনুপ্রেরণা জাগে, প্রত্যেকটা নিঃশ্বাসে যেন অভিমানগুলি ভালবাসার জগতের অতল অসীমায় হারিয়ে যায়। যেন তুমি আছ আমার পাশে, মাঝগঙ্গার এই ডিঙিতে।
হঠাৎই মনে পড়ে, কই তুমি ত নেই, তুমি ত বলনি যে তুমি আছ আমার পাশে। একটা কালমেঘের পাহাড় এসে কৃষ্ণপক্ষের ক্ষীণ চাঁদটাকে যেন অন্ধকারে ঢেকে দিয়ে যায়। ভেতরটা হু হু করে উঠে। বাইরে এবং ভেতরের যেন আনুনরন শুরু হয়। অন্ধকারের অনুনরন।
যখন তন্দ্রা ভাঙল তখন ভোর তিনটে বাজে। মাঝ নদীতে ডিঙ্গির
ছাঁদে শুয়ে আছি। কে জানি কম্বলটা গায়ে দিয়ে গেল। ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। মনে হল কেন যে
ঘুমটা ভাঙল।
ভোরের আকাশ কি জানি একটা অজানা ভাল লাগার আনুপ্রেরনা জাগায়।
মনে করিয়ে দেয় যে অন্ধকারের পরেই এক নতুন সকাল। যেন নতুন করে বাঁচার অনুপ্রেরনা
দিয়ে যায়। যেন কিছুই হয়নি। একটা সাময়িক দমকা হাওয়া এসে আমার স্বপ্নঘেরা বালির ঘরটাকে
যেন ভেঙ্গে দিয়ে গেছে মাত্র। ইচ্ছে করলেই যেন আবার তৈরি করতে পারি। এক মুহূর্তের
জন্য মনটা আবার খুশিতে ভরে গেল। ভোরের আলো এসে গেছে চারপাশে। শরতের সকালের
স্নিগ্ধতায় মনটা ভরে উঠল আবার।
No comments:
Post a Comment