মনের মধ্যে আঘাত
লাগলেই প্রকৃত প্রেমের গভীরতা বুঝা যায়। তোমাকে কতদুর ভালবাসি সেটা কালকেই প্রথম
বুঝতে পারলাম যখন তুমি চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলে। তোমাকে যে আমি অন্ধের মত
ভালবাসি, নিঃস্বার্থ ও নিঃশর্ত ভাবে ভালবাসি। তোমার ভালবাসার মধ্যে যে আমি সবকিছুই
খুঁজে পাই‑ আমার ছেলেবেলা, অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি
যেন তোমার সঙ্গেই পথ চলতে পারি। ভালবাসা যদি কখনো পরিপূর্ণতা এনে দিতে পারে জীবনে
তাহলে সেটা তোমার ভালবাসাই।
অনেক মানুষের মা
তারা কত ভাল হয়। কত সহজেই মানুষকে আপন করে নিতে পারে। আমার মা ত আমাকেই বুঝতে
পারেনা! যখন সবদিক থেকে ভেঙ্গে পড়ে এতটুকু শান্তির জন্য বাড়িতে যাই, মা আমার
অবস্থা ভুলেও টেরই পায়না। আমি আশা করি যে মা আমার সঙ্গে এসে বসে গল্প করবে, অথচ মা
সারাক্ষণ রান্নাতেই ব্যস্ত থেকে যায়। শুধুমাত্র পেটভরে খেতে দিতে পারলেই যেন সব
হয়ে গেল!
যে আমাকেই বুঝতে
পারেনা ঠিকভাবে, সে অন্য একজন মেয়েকে কি করে বুঝবে! বুঝলেও ঐ অন্য মায়ের চেয়ে যে
কম হবে সেটা ত মানতেই হবে। সেটা হয়ত আমার দুর্ভাগ্য। আগে ত ভাবতাম যে যেহেতু আমি
ছোটবেলা থেকেই মাসির বাড়িতে বড় হয়েছি, তাই হয়ত মা দূরে সরে গেছে অনেকটা, অনেকদিন
কাছে থাকা হয়নি বলে। কিন্তু এটা তো সত্য নয়। অন্য মায়েরা এই অবস্থাতেও নিজের
ছেলেকে এবং অন্য মেয়েকে বুঝতে পারে, আপন করে নিতে পারে।
বাবু থাকলে হয়ত এমন
হত না। বাবু সহজেই হয়ত বুঝতে পারত। বাবু সহজেই আমার ভেতরে পৌছতে পারত। যেখানে যে
জিনিসটা প্রয়োজন বাবু সেটা ঠিক ধরে নিতে পারত। বাবু থাকলে আজ আমাদের একটা সোনার সংসার
থাকত। মা-ত শুধু গৃহিণী হয়েই থাকতে ভালবাসত, এত দায়িত্ব পড়ার পরেই যেন একটু
আবেগশূন্য হয়ে গেছে মনে হয়। বাবু যে দায়িত্বগুলো দিয়ে গেছে মাকে, মা যেন শুধুমাত্র
এগুলিই ঠিকভাবে পালন করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, এর বাইরে আর কিছুই যেন মাকে স্পর্শ
করে না। অথছ মা-বাবুর বিয়ে নাকি ভালবাসার বিয়ে ছিল!
No comments:
Post a Comment